মিডিল ইস্ট এ যুদ্ধের প্রভাবে গ্যাস সংকটে ভুগতে পারে দেশ। এমন জল্পনা থেকে বুকিং সংক্রান্ত কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে সাময়িক ভাবে। তার জেরেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে হোটেল রেস্টুরেন্ট ব্যবসা এবং সাধারণ মধ্য বিত্তের হেঁসেলে এবার একাধিক মন্দির ও গ্যাস সংকটের জেরে ভোগ রান্না আপাতত বন্ধ করতে চলেছে। তালিকায় আছে একান্ন পীঠের অন্যতম তমলুকের বর্গ ভীমা মন্দির। এই সতী পীঠে ভক্তদের জন্য দু’টি আলাদা ধরনের ভোগের ব্যবস্থা রয়েছে। একদিকে দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের জন্য সাধারণ ভোগের ব্যবস্থা করা হয়, যা কখনও কখনও হাজার জনেরও বেশি মানুষ গ্রহন করেন অন্য দিকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগাম বুকিং করে ভোগের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বর্তমানে মন্দিরে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ ২০ মার্চ পর্যন্ত ভোগ রান্না চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। তাই কতৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্যাসের যোগান নিয়ে আশঙ্কা দেখা দেয়ায় আগামী ২১ তারিখ থেকে বন্ধ থাকতে পারে ভোগ বিতরণের ব্যাবস্থা।একই পরিস্থিতি একই পরিস্থিতি আদ্যাপীঠেও। এই প্রতিষ্ঠানে আবাসিক প্রায় আড়াই হাজার এবং প্রতিদিন অন্তত ৫০০ জনকে ‘নরনারায়ণ সেবা’ হিসেবে খাবার দেওয়া হয়।জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে আপাতত কতৃপক্ষ বিকল্প জ্বালানির সন্ধান করছে। নৈহাটির বড়মা মন্দিরেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে।সেখানেও বিকল্প জ্বালানীর কথা ভাবা হচ্ছে।বড়ো কালী মন্দির কতৃপক্ষ আগামী সোমবার থেকে ভোগ বিতরণের পরিষেবা আপাতত স্থগিত রাখছে।

