বিধায়ক দের মিটিং এ পাস করানো রেশলিউশন কে বিরোধী দলের চিঠি হিসেবে পাঠানোই কাল হলো তৃণমূলের। বিক্ষুব্ধ বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জী এবং সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে প্রায় ষাট জন বিধায়ক সাফ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী মানতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘সেনাপতি’ মেনে নেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। আজ রীতি মেনে পরিষদিয় দলনেতা হলেন ঋতব্রত ব্যানার্জী। হুইপ হলেন আখরুজ্জামান এবং ডেপুটি লিডার হলেন শিউলি সাহা ও জাভেদ খান।আজ কার্যত তৃণমূলের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারালেন মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। জন্ম নিলো নব্য তৃণমূল। যদিও দলের প্রধান পরামর্শদাতা রূপে মমতা ব্যানার্জীকেই চাইছেন বিধায়করা তবে তা আসলে সৌজন্যে।অন্য দিকে আদি তৃণমূলের পক্ষে কুনাল ঘোষ বা শোভনদেব চ্যাটার্জীর মতো নেতারা মমতার পাশেই আছেন। বিরোধীদের বিশেষ করে কংগ্রেস এবং বামেরা মনে করছেন যে দল ভাঙানোর খেলায় মেতে ছিলো তৃণমূল আজ সেই পথেই তৃণমূলের পতন সুনিশ্চিত হলো।
বিরোধী দলনেতা হলেন ঋতব্রত ব্যানার্জী, দলে কোন ঠাসা অভিষেক ব্যানার্জী!
RELATED ARTICLES

